বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন

এসেছে মডার্না-সিনোফার্মের ২২ লাখ টিকা, শনিবার আসবে আরও ২৩ লাখ

সৈকত
  • আপডেট করা হয়েছে শনিবার, ৩ জুলাই, ২০২১
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

শুক্রবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এমিরেটস এয়ারলাইন্সে কোভ্যাক্সের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের মডার্নার ১২ লাখ টিকা এবং বাংলাদেশ বিমানে বেইজিং থেকে ১০ লাখ টিকাসহ মোট ২২ লাখ টিকা দেশে এসে পৌঁছেছে।

শুক্রবার (২ জুলাই) রাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম প্রধান এ তথ্য জানান।

এর আগে শুক্রবার (২ জুলাই) রাত ১১টা ২০ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের মডার্নার টিকা গ্রহণ শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান চুক্তি অনুযায়ী ভারত থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা না পাওয়া গেলেও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আগস্টে ১৫ লাখ টিকা আসবে। অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় ডোজ যারা পাননি তাদের এই টিকা দেয়া হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আমাদের আগস্ট মাস থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা পাওয়ার ইঙ্গিত পেয়েছি। আমরা আশা করি সময় মতো টিকা পেয়ে যাব। যারা সেকেন্ড ডোজের অপেক্ষায় আছে তারা আবার টিকা নিতে পারবে। দ্বিতীয় ডোজ যাদের আটকে আছে তাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র এই টিকা দিবে।’

টিকা গ্রহণের সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিক, ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমসহ সংশ্লিষ্টরা।

তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র থেকে সিরামের টিকা আগস্টের মধ্যে আসবে তবে কত তারিখে এবং কী পরিমাণ আসবে এ বিষয়ে এখন কিছু বলা যাচ্ছে না। আমরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে টিকা পাওয়ার ইঙ্গিত পেয়েছি। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করা বাংলাদেশি নাগরিকরা ভ্যাকসিন পেতে সহযোগিতা করেছে।’

জাহিদ মালিক বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আমাদের ক্রিটিক্যাল টাইমে টিকা দিয়ে সহযোগিতা করেছে। কেনা টিকাও আসতে শুরু করেছে।’

টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলে ঝুঁকি কম জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘টিকা দিলে করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। এমনকি আক্রান্ত হয়েও ঝুঁকি অনেক কম। গবেষণার মাধ্যমে এর প্রমাণ পেয়েছি। বিদেশে এ বিষয়ে গবেষণা হয়েছে। এমনকি আমাদের দেশেও গবেষণার প্রমাণ মিলেছে।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আমাদেরকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা করেছে। করোনার মধ্যেও তারা অনেক সাহায্য সহযোগিতা করেছেন। আমরা আশা করি আগামীতেও বন্ধুরাষ্ট্রের মতো তারা আমাদের সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবেন।

‘সাধারণত আমরা বিমানবন্দরে আসি মানুষকে রিসিভ করার জন্য। আজ আমরা এসেছি টিকা গ্রহণ করার জন্য। এটা আমাদের জন্য আনন্দের।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘লকডাউনে সকলের ক্ষতি হচ্ছে অনেকের ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষতি হচ্ছে। আমরা চাই না এটা অব্যাহত রাখি। সকলের সহযোগিতায় স্বাস্থ্যবিধি মানার মাধ্যমে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনব।’

টিকা কেনার জন্য টাকার অভাব নেই জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘চলমান বাজেটে টিকা কেনার জন্য টাকার জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টিকা কেনার জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ দিয়েছেন।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

কমেন্ট করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
themesba-lates1749691102