বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন

দু-এক মাসের মধ্যে পৌনে ২ কোটি ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সৈকত
  • আপডেট করা হয়েছে শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

আগামী দু-এক মাসের মধ্যে বিভিন্ন উৎস থেকে প্রায় পৌনে দুই কোটি টিকা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেছেন, ‘অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ১০ লাখ ডোজ, চীনের প্রতিষ্ঠান সিনোফার্মের ৫০ লাখ এবং ফাইজার-বায়োএনটেক এর ৬০ লাখ ডোজ টিকা এ সময়ের মধ্যে পাওয়া যাবে।’

শনিবার (১০ জুলাই ) দুপুরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কনভেনশন হলে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিং-এ মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কনভেনশন হলে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য ৪০০ শয্যার ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) এবং ৪০০ শয্যার হাই-ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটসহ (এইচডিইউ) হাজার শয্যাবিশিষ্ট ফিল্ড হাসপাতাল হচ্ছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘করোনা শনাক্তের জন্য দেশে ৫৫০টি পিসিআর ল্যাব রয়েছে। রোগীদের চিকিৎসার জন্য ১৬ হাজার বেড রয়েছে। ১০০টি হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেনের ব্যবস্থা রয়েছে। তারপরেও বিরোধী দল শুধু সরকারের সমালোচনা করছে। অহেতুক সরকারের সমালোচনা না করে মানুষের পাশে দাঁড়ান, মানুষকে সাহায্য করুন।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত ১০ দিনে কমপক্ষে ৯০ হাজার করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। সম্প্রতি রোগী বেড়েছে ৮ গুণ। শতকরা ৮০ ভাগ শয্যায় রোগী ভর্তি রয়েছে। দিন দিন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী দেশের সংশ্লিষ্ট সব হাসপাতালে করোনা রোগীদের জন্য শয্যা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কনভেনশন হলে সুন্দর অবকাঠামো রয়েছে। বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করা হবে। আইসিইউ, এইচডিইউ শয্যার ব্যবস্থা করা হবে এবং জনবলের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা করা হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘হাসপাতালগুলো করোনা আক্রান্ত রোগী তৈরি করে না। যেখান থেকে করোনা ছড়িয়ে পড়ছে যেমন- অলিগলি, চায়ের দোকান, বাজার-ঘাট সেখানে নজর দিতে হবে। মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বাধ্য করতে হবে। এ ভাইরাস থেকে মুক্তির উপায় হলো- একে নিয়ন্ত্রণ করা।’

ব্রিফিংয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য ফিল্ড হাসপাতাল তৈরির যাবতীয় প্রস্তুতি বিএসএমএমইউয়ের বর্তমান প্রশাসনের রয়েছে। সরকারের প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ হাসপাতাল চালু করা হবে।’

এ সময় অন্যদের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম, বিএসএমএমইউ-এর উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলম, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ হোসেন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. এ কে এম মোশাররফ হোসেন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রক্টর, রেজিস্ট্রার ও হাসপাতালের পরিচালক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

কমেন্ট করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
themesba-lates1749691102