বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন

মহামারী: সাত জেলায় কঠোর বিধিনিষেধ জারি

সৈকত
  • আপডেট করা হয়েছে মঙ্গলবার, ২২ জুন, ২০২১
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় ঢাকা বিভাগের সাত জেলায় আগামী নয় দিন জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব ধরনের কার্যক্রম ও চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক আদেশে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে ৩০ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, গাজীপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী ও গোপালগঞ্জে এ বিধিনিষেধের আওতায় থাকবে। আদেশে বলা হয়েছে, বিধিনিষেধের সময়ে এই সাত জেলায় সার্বিক কার্যাবলি/চলাচল (জনসাধারণের চলাচলসহ) বন্ধ থাকবে।

তবে আইন-শৃঙ্খলা ও জরুরি পরিষেবা, যেমন-কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের (নদীবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিস, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এবং পণ্যবাহী ট্রাক/লরি এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে না। এই বিধিনিষেধের কথা জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, “আগামীকাল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সাত জেলায় লকডাউন আরোপ করা হয়েছে।”

এই সাত জেলায় কী কী বন্ধ থাকছে প্রশ্ন করলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “সব বন্ধ থাকবে। মানুষও যাতায়াত করতে পারবে না। শুধুমাত্র মালবাহী ট্রাক এবং অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া কিছু চলবে না। জেলাগুলো বøকড থাকবে, কেউ ঢুকতে পারবে না।” এসব জেলায় সরকারি অফিসগুলো কীভাবে চলবে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “জরুরি সেবা ছাড়া সব কিছুই বন্ধ থাকবে।”

এরপর মে মাসে সংক্রমণ কিছুটা কমে এলে বেশি কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়। তবে করোনাভাইরাসের ডেল্টা ধরন ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলে জুনের শুরুতে দেশে সংক্রমণ ও মৃত্যু আবার বাড়তে থাকে। তখন সংক্রমণের হার অনুযায়ী বিভিন্ন এলাকায় আলাদাভাবে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ শুরু হয়। আর সারা দেশে চলমান সাধারণ বিধি-নিষেধের মেয়াদ গত ১৬ জুন এক ধাক্কায় এক মাস বাড়িয়ে দেয় সরকার। তবে স্বাস্থ্যবিধি মানার শর্তে অফিস-আদালত খুলে দেওয়া হয় তখন। ১৬ জুনের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, উচ্চ ঝুঁকির জেলাগুলোর স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি বুঝে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কারিগরি কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে লকডাউনসহ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

কমেন্ট করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
themesba-lates1749691102