বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ০৩:০৪ অপরাহ্ন

মুখ্যমন্ত্রী হতে বাধা নেই মমতার

সৈকত
  • আপডেট করা হয়েছে সোমবার, ৩ মে, ২০২১
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

তৃণমূল কংগ্রেস প্রত্যাশার চেয়ে ভালো ফল করার পরও নিজ আসনে হেরে গেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। কে হবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, নিজের আসনে হারলেও মুখ্যমন্ত্রী হতে বাধা নেই মমতার।

একসময়ের সহযোদ্ধা শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রামে প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই মমতার জয় নিয়ে শুরু হয় নানা জল্পনা-কল্পনা। অবশেষে রোববার সব নাটকীয়তার পর শুভেন্দুকে জয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

মমতা হেরে যাওয়ায় নতুন প্রশ্নের জন্ম নিয়েছে। কে হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।

তবে বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানায় বিধায়ক হিসেবে জয় না পেলেও মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্ষেত্রে নেই কোনো সাংবিধানিক বাধা।

নিয়ম অনুযায়ী সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দলের বিধায়করা তাদের পরিষদীয় নেতা নির্বাচন করবেন। এক্ষেত্রে নির্বাচিত নেতা বিধায়ক না হলেও কোনো অসুবিধা নেই। তবে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেয়ার ছয় মাসের মধ্যে মমতাকে জিততে হবে যে কোনো বিধানসভা নির্বাচনে।

যেহেতু প্রার্থী মারা যাওয়ার কারণে পশ্চিমবঙ্গের দুই আসনে নির্বাচন হয়নি, তাই ৯০ দিনের মধ্যে ওই আসন দুটিতে ভোট আয়োজন করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। এক্ষেত্রে উপনির্বাচনে জয় পেয়ে মমতা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী থাকতে পারবেন বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

আনন্দবাজার জানায়, বিধানসভার নির্বাচনে ২১০টির বেশি আসন পেয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসল মমতা বন্দোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। এ নির্বাচনে ৫০ ভাগ ভোট পড়েছে নারীদের। জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিতে তারাই ভূমিকা রেখেছেন বলে জানান খোদ মমতা। ৭৫টির বেশি আসনে জিতে বিরোধী দল এবার বিজেপি। এদিকে, দিনভর নাটকীয়তার পর মমতার আসন নন্দীগ্রামে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীকে জয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে, জানা গেছে, ২০১১ সালে গো-হারা হয়ে বামফ্রন্ট সমর্থকরা মমতার বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ঢালাওভাবে ভোট দিয়েছেন। সেই বামফ্রন্ট এবার হিন্দুত্ববাদী বিজেপিকে আটকাতেই ঢালাও ভাবে তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার ফলেও তৃণমূলের কাছে এ জয়ের রাস্তা তৈরি হয়েছে বলেও অনেকে মনে করছেন। যদিও এবার তারা বিধানসভার একটি আসনও না পেয়ে রাজনৈতিকভাবে চরম অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে।

অন্যদিকে ২০০ আসনে জয় নিয়ে তৃণমূলকে হটিয়ে বাংলার মসনদে বসার যে আত্মবিশ্বাসের ঢেকুর তুলেছিলেন বিজেপি, তাদের খুশি থাকতে হচ্ছে মমতার বিরোধীদলের চেয়ার নিয়েই।

রাজ্যটিতে গত ২৭ মার্চ থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত আট দফায় ভোট হয় ২৯২টি আসনে। করোনায় দুজন প্রার্থী মারা যাওয়ায় দুটি আসনে ভোটগ্রহণ স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

কমেন্ট করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
themesba-lates1749691102