বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন

শর্তসাপেক্ষে খুলল হোটেল মোটেল

সৈকত
  • আপডেট করা হয়েছে শুক্রবার, ২৫ জুন, ২০২১
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

করোনা মহামারীর মধ্যে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে খুলে দেয়া হল সাড়ে ৪ শতাধিক হোটেল মোটেল ও রিসোর্ট। টানা আড়াই মাস বন্ধ থাকার পর বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) শর্তসাপেক্ষে খুলে দেয়ায় কিছুটা স্বস্তিতে হোটেল মালিকরা। কিন্তু হোটেল মোটেল খুলে দেয়ায় নিষেধাজ্ঞা স্বত্ত্বেও পর্যটকরা কক্সবাজারে ছুটে আসলে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির শঙ্কা করছেন করোনায় কন্ট্রাক্ট ট্রেসিংয়ের দায়িত্ব থাকা স্বাস্থ্য স্বেচ্ছাসেবকরা। আর প্রাথমিকভাবে খুলে দেয়া হলেও করোনা সংক্রমণ বাড়লে পুনরায় হোটেল মোটেল বন্ধ করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা কক্সবাজারের হোটেল মোটেল জোনের তারকামানের হোটেল লংবিচ খোলা রয়েছে। টানা আড়াই মাস বন্ধ থাকার খোলা হয়েছে হোটেলটি। যথারীতি দায়িত্ব পালন করছে হোটেলের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা। কিন্তু জরুরী প্রয়োজনে আসা কোন ব্যক্তিই রুম নেননি হোটেলে। তারপরও হোটেল কর্তৃপক্ষ বলছে; লোকসান হলেও সবকিছু বিবেচনা করে শর্ত মেনেই হোটেল খুলেছেন তারা।

লংবিচ হোটেলের সেল্স ম্যানেজার সরওয়ার হাসান বলেন, হোটেলে ১০০টি রুম রয়েছে। এসব রুম পরিচালনা জন্য দায়িত্বপালন করে দেড় শতাধিক কর্মরত রয়েছে। কিন্তু এখন করোনার কারণে দীর্ঘ আড়াই মাস বন্ধ থাকার শর্তসাপেক্ষে প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী হোটেল খোলা হয়েছে। এখন ৭০ জনের মতো কর্মচারি দিয়ে হোটেল অপারেশন করা হচ্ছে। তবে এখনো পর্যন্ত কোন ব্যক্তি হোটেলে রুম নেননি। লোকসান হলেও মালিক কর্তৃপক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারির কথা চিন্তা করে স্বল্প সংখ্যক রুম নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেছে। সুতরাং করোনার কারণে প্রশাসনিক সব ধরণের নির্দেশনা মেনে সব করা হচ্ছে।

প্রশাসনের শর্তসাপেক্ষে সীমিত পরিসরে হোটেল মোটেল খোলার পর বৃহস্পতিবার সকাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু করেছে কর্মচারিরা। তারা বলছে, প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে হোটেল পরিচালনা করবেন তারা। আর দাবি প্রেক্ষিতে প্রশাসন হোটেল মোটেল খোলার অনুমতি দিলেও পরবর্তী প্রশাসন যে নির্দেশনা দিবে সে সিদ্ধান্ত মেনে নেয়া হবে বলে জানিয়েছে হোটেল মালিক সমিতির নেতারা।

আর প্রশাসন জানিয়েছে; প্রাথমিকভাবে খুলে দেয়া হলেও করোনা সংক্রমণ বাড়লে পুনরায় হোটেল মোটেল বন্ধ করে দেয়া হবে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আমিন আল পারভেজ বলেন, প্রাথমিকভাবে কক্সবাজারের হোটেল মোটেল রিসোর্টগুলো শর্তসাপেক্ষে সীমিত পরিসরে খুলে দেয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশাসনের মনিটর্রিং এর পাশাপাশি বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করবে। যদি দেখা যায়, করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাচ্ছে, তখন সবার সঙ্গে পুনরায় আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এতে আবারও হোটেল মোটেল বন্ধ করে দেয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

করোনার কারণে গেল পহেলা এপ্রিল হতে বন্ধ করে দেয়া হয় কক্সবাজারের সাড়ে ৪ শতাধিক হোটেল মোটেল ও রিসোর্ট। এছাড়াও পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ করে দেয়ার পাশাপাশি বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে প্রবেশেরও নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। যা এখনো বলবৎ রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

কমেন্ট করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
themesba-lates1749691102